পেশা হিসেবে ইন্স্যুরেন্স পেশার জুড়ি নেই
জীবন থেকে বেকারত্ব দূর করে নিজের কাজের সময় নিজেই নির্ধারন করি।
বাংলাদেশে একমাত্র ইনন্স্যুরেন্স পেশায় আসতে হলে কাউকে তদবির বা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পেছনে হাঁটতে হয় না কিংবা অনিয়ম, দুর্নীতি বা আত্মীয়স্বজন বলে স্বজনপ্রীতিরও কোন সুযোগ নেই। সততা, নিষ্ঠা এবং যথাযোগ্য পরিশ্রমের মাধ্যমে এ পেশায় একজন বীমা প্রতিনিধি ঐ কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক পর্যন্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তরুণ-তরুণীদের প্রতি আমার আহ্বান আপনারা ইন্স্যুরেন্স পেশায় জড়িয়ে নিজকে স্বাবলম্বী ও করে তুলুন। কেননা দেশে একমাত্র ইন্স্যুরেন্স পেশায় মামা-খালু বা নানার প্রয়োজন হয় না। খুব সহজেই বীমায় আসা যায়।
তবে যে কোম্পানিতে কাজ করতে চান সে কোম্পানির ফাইনান্সিয়াল অবস্থান ও কোম্পানির গ্রহন যোগ্যতা যাচাই করে যোগদান করুন ।
বেতন - বীমা প্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষিত তরুণ-তরুণী দ্রুত নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারেন। এ পেশায় মূলত ফুলটাইম/পার্টটাইম দুই ধরনের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। মাসে প্রচুর পরিমান/ অর্থ উপার্জন করা যায় । তবে বর্তমানে অনেক কোম্পানী মাসিক বেতন ও নির্ধারন করা হয়েছে।
সেক্ষেত্রে বীমা প্রতিনিধি থেকে তিন ধাপ অতিক্রম করার পর বেতনভুক্ত হয়। পেশাগত যোগ্যতা ও দক্ষতার জন্য কোম্পানীগুলো প্রথমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে। বীমা প্রতিনিধিদের কোম্পানীগুলো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে। প্রতি মাসে পলিসি গ্রাহক সৃষ্টির জন্য প্রতিনিধিদের নানাভাবে উৎসাহ-উদ্দীপনা দিয়ে থাকে। এ পেশায় রয়েলিটি ইনকামের সুযোগ আছে ।
করনীয়:-
১/ কাজকে আপন মনে ভালোবাসতে হবে।
২/ কাজেকে দায়িত্বের চোখে দেখতে হবে।
৩/ সততা - নিষ্ঠার পরিচয় দিতে হবে।
৪/ সময়কে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করতে হবে।
৫/ সাফল্যের জন্য কঠিন পরিশ্রম করতে হবে।
৬/ ধৈর্য্য ধারন করতে হবে লেগে থাকতে হবে।
ইনশাল্লাহ সাফল্য আসবেই ।
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ একজন বীমা প্রতিনিধি ন্যূনতম মাধ্যমিক পাস হলেও এ পেশায় যোগদান করতে পারবেন। তাছাড়া কোম্পানীর উচ্চ পদে কাজ করার জন্য অনার্স ও মাস্টার্সধারীদের এ পেশায় কাজ করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে।

No comments